আওয়ামী লীগের আলোচিত-সমালোচিত নেতা জয়নাল হাজারী মারা গেছেন

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে আলোচিত-সমালোচিত সমালোচিত জয়নাল হাজারী। জয়নাল হাজারী ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রায় বিশ বছরের বেশি সময় ধরে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে তিনবার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

বিতর্কিত এই জয়নাল হাজারী ১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হবার পর, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ফেনীতে সন্ত্রাসের শিকার হয়ে প্রায় ১২০ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর মৃত্যু হয়। এর জন্যে প্রতিবারই হাজারীকে সন্দেহ করা হয়। ২০০১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৬ আগস্ট রাতে হাজারীর বাসভবনে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এরপরই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে দল থেকে বহিষ্কৃত ঘোষণা করা হয় তাকে। চার বছর পর ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর তিনি ভারত থেকে দেশে ফিরে আসেন এবং আদালতে আত্মসমর্পণ করে এবং তাকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়। ফেনি থেকে প্রকাশিত ‘হাজারিকা প্রতিদিন নামের একটি আঞ্চলিক পত্রিকার একাধারে ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা,প্রকাশক,সম্পাদক । কয়েকটি বইও লিখেছেন তিনি, এগুলো হলো- জয়নাল হাজারী বলছি, বাধনের বিচার চাই, বাধন আছে বিজু কোথায়?

গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ ৭৬ বয়সে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান এই নেতা। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Related posts

Leave a Comment